সাহিত্য

চিঠি

শহর জুড়ে এত লোকের ভিড়ে
তাদেরও একা লাগে
বুকের ভেতর বয়ে যায় কখনো সখোনো
ঝরা পাতার শোক।

শেষ প্রশ্ন

।। এক ।। ২১শে মে, ২০৬১। মানব সভ্যতা যখন কার্দাশভ স্কেলে টাইপ-১ থেকে টাইপ-২ এর দিকে যাত্রা শুরু...

বিষের তরী

কখনো কি নিঠুর হিয়া
ভাবিয়াছে গুণ ধারা
জোছনা যে জেগে রয় পসরের পাহারা।

আমি তো ডুবিয়াছি
ধূসর সে বারিদে-
তোমার কঠোরতায় সলিল আঁখিতে।

অফেরা নীড়

বিষন্ন নীলা আকাশে-
শেষ বিকেলের পড়ন্ত রোদে
শ্রান্ত একটা গাংচিল
খুঁজে ফেরে তার শেষ ঠিকানা

শেষ চিরকুট

বিদিশিনি,
ও প্রান্তে বাতাসে গন্ধ পাওয়া যায়?
এ প্রান্তে অন্তর দুটি এক হয়ে যে সুমিষ্ঠ সুভাস ছড়াচ্ছে তার?
সখার অপেক্ষার গন্ধ?
মিঠা গন্ধ?
না কি মাঝেসাঝেই মনে হয় মানুষ হারিয়ে যায়!

আরও অপেক্ষা

বারকোশ ভরা শুন্য চায়ের কাপ।
আবেগ, অনুভুতি ও স্বাদহীন আলোচনা।
প্রতীক্ষামান ব্যক্তি নান্দনিক,
তৃষ্ণা মিটাবার আশায়।
অপেক্ষা,
আরও অপেক্ষা।

অবুঝ এই আমি

আমায় কেউ ভালোবাসেনি কোনদিন
ভালোবেসেছে আমার বুদ্ধিদীপ্ত ক্ষমতাকে।

তারা আমায় কাচের মত
টুকরো টুকরো করে ভাঙতে চেয়েছে,
মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে চেয়েছে,
ছাইয়ের মত উড়িয়ে দিতে চেয়েছে।

হাতের রেখায় আপনি নেই

ভৌমিক দা
আমার এ ধূলোজমা জীবনে
যে কটা রত্ন জমা আছে
তার মাঝে সবচেয়ে মূল্যবান
রত্নটি হলেন আপনি!

জীবনে অনেক কিছুই
না চাইতেও পেয়েছি আমি,
আবার হেলায় হারিয়েছিও অনেক!
আপনাকে হারাবার দায়
আমার একার!
আমি জানি।

অভিমান

আমি হাসি!
কি অদ্ভুত না? বলো!
জবাব দিতেই চাইনি,
অথচ আমি আজন্ম অপেক্ষাতেই ছিলেম
তোমার একটি প্রশ্নের!

ভালো থেকো প্রিয়তম,
এই ব্যস্ততাই তোমার নিয়তি,
আর অপেক্ষাটুকু আমার!

আগন্তুক

তোমাকে বলা হয়নি,
আমার মস্তিষ্কের শতকোটি নিউরন থেকে
তুমি বরাদ্দ পেয়েছো বেশ খানিকটা,
হয়তো সে কারণেই
তোমায় মুখাবয়ব সারাক্ষণ ভাসে
আমার চোখের তারায়!

একটি চিঠি 

তোমায় ছেড়ে কোথায় যেতাম?
রাখতাম কার হাতে হাত?
আকাশছোঁয়া পূর্ণিমাতেও
জীবন হতো বিষাদের ধারাপাত!

Loading